টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন

টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন সম্পর্কে জানা জরুরি কারণ এ রুটিন ফলো করলে তাদের তাদের স্কিন হবে গ্লোয়িং, হেলদি এবং লাইটনিং। স্কুল কলেজে পড়ুয়া তরুণীদের জীবনে টিনেজ এমন একটি সময়, যে সময়ে শরীর এবং ত্বকে অনেক পরিবর্তন দেখা দেয়। এজন্য তরুণীদের স্কিন ভালো রাখতে প্রয়োজন 'স্কিন কেয়ার রুটিন'।

টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন

এজন্য এই সময়ে তরুণীদের প্রয়োজন ত্বকের পরিপূর্ণ যত্নের। হরমোনের উঠানামা, পড়াশোনার চাপ, ঘুমের অনিয়ম, তৈলাক্ত খাবার ইত্যাদির কারণে ত্বকে ব্রণ, কালো কালো দাগ, বাদামি বর্ণের দাগ ইত্যাদি দেখা দেয়। গ্লোয়িং, হেলদি এবং লাইটনিং স্কিন পেতে স্কিন কেয়ার রুটিন সম্পর্কিত এ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পেজ সূচিপত্র :টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন

টিনেজ বয়সে স্কিন কেয়ার রুটিন এর গুরুত্ব

টিনেজ বয়সে স্কিন কেয়ার রুটিন অনুসরণ করা প্রত্যেক তরুণীর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নিয়মিত রুটিন না মেনে ত্বকের যত্ন না নিলে এ বয়সে ত্বকে ব্রণ, ত্বকে তেলতেলে ভাব, ব্ল্যাকহেড, হোয়াইটহেড,ত্বকে শুষ্কতা,ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের ত্বকের জটিল সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। টিনেজ বয়সে ত্বকের জন্য জটিল কোন রুটিনের প্রয়োজন হয় না। সহজ এবং নিয়ম মেনে কিছু সঠিক উপকরণ বা স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহারের ফলে খুব সহজেই টিনেজ বয়সে তরুণীরা তাদের স্কিনের কেয়ার করতে পারে।


পড়াশোনার চাপ, মানসিক চাপ, বিশদগ্রস্ত, পারিবারিক চাপ বিভিন্ন কারণে টিনেজ বয়সে তরুণীদের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য নিয়মিত যদি তারা স্কিন কেয়ার করতে পারে রুটিন মেনে তাহলে তাদের স্কিন হবে গ্লোয়িং, আগের থেকেও অনেক ব্রাইট এবং তাদেরকে দেখতে লাগবে অনেক দীপ্তিময়। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং ভেতর থেকে তারা পাবে আত্মবিশ্বাস। সবার সামনে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলতে এবং সামনের দিকে এগিয়ে চলতে টিনেজ বয়সে স্কিন কেয়ার রুটিনের গুরুত্ব অপরিসীম।

টিনেজার তরুণীদের ত্বকের ধরন বোঝা

টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন
টিনেজার তরুণীদের সর্বপ্রথমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার আগে তাদের ত্বকের ধরন বুঝতে হবে। এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে আপনার স্কিন কেমন তা নির্ধারণ করতে হবে। আমাদের ত্বক বেশ কিছু ধরনের হতে পারে যেমন - তৈলাক্তত্বক, শুষ্ক ত্বক, মিশ্রত্বক এবং সংবেদনশীলত্বক। আপনার স্কিন তৈলাক্ত, শুষ্ক, মিশ্র না সংবেদনশীল এটা জানার একটি সহজ উপায় রয়েছে।


ত্বকের ধরন বোঝার জন্য ঘুম থেকে উঠে আপনার ত্বকে আলতো করে হাত বুলিয়ে দেখুন আপনার ত্বকে প্যাচ আছে কিনা, কোন তৈলাক্ত ভাব আছে কিনা। যদি এরকম কিছু না থাকে এবং সফট ফিল করেন তাহলে বুঝবেন আপনার নরমালত্বক। আর যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনার ত্বকে আলতো করে হাত বুলিয়ে দেখেন যে আপনার ত্বক তেলতেলে ভাব করছে তাহলে বুঝতে হবে আপনার তৈলাক্ত ত্বক।

মিশ্র বা কম্বিনেশন স্কিন বোঝার উপায় হলো, আপনার ফেস এর টি-জোনের ভেতরে অংশ যদি তৈলাক্ত ভাব অনুভব করতে পারেন এবং বাকি অন্যান্য অংশ যদি ড্রাই থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক মিশ্র বা কম্বিনেশন টাইপের। আর সংবেদনশীল ত্বক চেনা উপায় হল যখন আপনি আপনার ত্বকে কোন সাবান, ক্রিম, সানস্ক্রিন বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন তখন যদি ত্বকে জ্বালাপোড়া করে চুলকানি হয় তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার ত্বক অনেক সংবেদনশীল।

সকালবেলার স্কিন কেয়ার রুটিন

আমরা সকলে উঠে অনেকে চা কফি খেয়ে থাকি আমাদের ত্বকের জন্য মোটেও উপকারী না। তার পরিবর্তে আমরাb কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করতে পারি যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এরপর সকালে হাটাহাটি বা ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার মত কে উজ্জ্বলতা বাড়াতে পারেন।
হাটাহাটি বা ব্যায়ামের ফলে আপনার শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে আর এই রক্ত সঞ্চালনের ফলে আমাদের ত্বকের কোষগুলোতে অক্সিজেন পৌঁছায়যা ত্বককে


সতেজ, সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও হাঁটাহাঁটির ফলে তা আপনার ত্বকের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্রণ এবং ত্বকের অন্যান্য সমস্যার ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়। এরপর আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী বেছে নেওয়া ফেসওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে আপনার মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। তবে আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয় তাহলে শুধু পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়া যথেষ্ট। তবে অবশ্যই আপনি যে ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন তা অবশ্যই জেন্টাল হতে হবে।

সূর্যের মধ্যে থাকা UV বা অতিবেগুনি রশ্মি যা আমাদের ত্বককে কালচে করে দিতে পারে। সূর্যের এই অতিবেগুনি রস্মি বা UV রশ্মি থেকে আমাদের ত্বককে বাঁচাতে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। সকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে এটি সূর্যের ক্ষতিকর উপাদান থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। এটি ত্বকে মিলানের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের পিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে।এরপর আমাদের উচিত সকালে প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া। যা আপনার ত্বকে উজ্জ্বল করতে এবং ত্বককে সমস্যা থেকে রক্ষা করবে।

রাতের বেলার স্কিন কেয়ার রুটিন

ত্বকের যত্ন দিনের বেলা করলে হবে না, রাত্রিবেলা করতে হবে এবং এটি নিয়ম মেনে করতে হবে। রাতে আমাদের শরীরের মতো আমাদের ত্বকও বিশ্রাম নেয়। এজন্য দিনের থেকে রাতের বেলা ত্বকের যত্ন নেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেই রাতের বেলা কিভাবে আপনার স্কিন কেয়ার রুটিন অনুসরণ করবেন -

আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী আপনার ব্যবহারকৃত ফ্রেশ ফেসওয়াশ দিয়ে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে আপনার মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এতে মুখে লেগে থাকা ঘাম, ধুলাবালি এ সমস্ত কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। এরপর আপনার মুখে ব্যবহার করতে হবে স্ক্রাব, এর মাধ্যমে আলতো করে আপনার মুখে তা ব্যবহার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন যেন বেশি জোরে ঘষা না লাগে আপনার ত্বকে। এরপর আপনার মুখ বা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর আপনার ত্বকে হাইড্রেটিং টোনার ব্যবহার করুন যা আপনার ত্বকের pH ব্যালেন্স করে।

এরপর আপনার ত্বকের সাথে মানানসই একটি সিরাম ব্যবহার করুন। সিরাম ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বকের সমস্ত দাগ এবং তেলতেলে ভাব কমে যাবে। ত্বকের ক্ষত সারাতে সিরাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এরপর আপনি চাইলে নাইট ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার ত্বককে করবে সফট এবং মোলায়েম। সবশেষে আপনি লিপ বাম বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করতে পারেন আপনার ঠোঁটে। এভাবে নিয়ম মেনে রাতে আপনার স্কিন কেয়ার রুটিন অনুসরণ করুন এবং ফলাফল আপনার নিজের চোখে দেখুন।

সাপ্তাহিক স্কিন কেয়ার রুটিন

টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন

আমরা আমাদের ত্বকের যত্নে সাপ্তাহিক একটি রুটিন তৈরি করতে পারি। ত্বকের যত্নে সপ্তাহে প্রতিদিন হাইড্রেশন কেয়ার করতে হবে। যেমন - ভালো মানের টোনার, সিরাম, ময়েশ্চারাইজার এবং ৭/৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে। সপ্তাহে ২/৩ দিন ত্বকের স্পশাল নাইট কেয়ার করতে হবে। এজন্য নাইট মাস্ক এবং রিপেয়ার সিরাম ব্যবহার করতে হবে। সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন ফেস মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য - মুলতানি মাটি বা চারকল মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। শুষ্ক ত্বকের জন্য - মধু এবং দইয়ের মিশ্রণ অথবা এলোভেরার মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। মিশ্র ত্বকের জন্য কালিমাস্ক অথবা হাইড্রেটিং মাস্ক গালে ব্যবহার করা যেতে পারে। তারপর সপ্তাহে ১/২ দিন ফেস মাসাজ করা দরকার। ফেস ম্যাসাজ এর ফলে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে এর ফলে ত্বকের গভীরে কোষে অক্সিজেন পৌঁছে যা আমাদের ত্বককে করে এবং গ্লো আনে।

সপ্তাহে ২-৩ দিন আপনি চাইলে আপনার ত্বকে ডিপ হাইড্রেশন ট্রিটমেন্ট করাতে পারেন। এক্ষেত্রে Hyaluronic acid serum, স্লিপিং মাস্ক অথবা নাইট প্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। সাপ্তাহিক স্কিন কেয়ার এর ক্ষেত্রে আমাদের কিছু বিষয় সতর্ক থাকতে হবে যেমন - প্রতিদিন স্ক্রাব করা যাবে না, খুব শক্ত স্ক্রাব ব্যবহার করা যাবে না, মাস্ক ৩০ মিনিটের বেশি রাখা যাবে না, একদিনে একসাথে অনেক ট্রিটমেন্ট নেওয়া যাবে না, সানস্ক্রিন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।

টিনেজ বয়সে ত্বকের যত্নে স্বাস্থ্যকর খাবারের রুটিন

টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন
ত্বকের যত্নে শুধু দামি দামি প্রোডাক্ট ব্যবহার করাটাই জরুরি না, ত্বকের যত্নের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকেও আমাদের নজর দিতে হবে বা গুরুত্ব দিতে হবে। ক্ষুদ্র জাতীয় ফল গুলোর মধ্যে অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়াও ভিটামিন সি এবং অ্যান্থাসায়ানিক নামক উপাদান ত্বকের কোলাজেন বাড়িয়ে তক কে রাখে উজ্জ্বল এবং টানটান। এই ক্ষুদ্র ফল গুলো হলো যেমন - বেরী, স্ট্রবেরি, রাসবেরি ইত্যাদি।

এছাড়াও অ্যাডোক্যাডোতে রয়েছে ভিটামিন ই এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি যা আমাদের ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে, তোকে পোড়া দাগ কমায়, বয়সের ছাপ বাড়তে দেয় না। এছাড়াও টমেটো, ব্রকলি, গাঢ় শাকসবজি ইত্যাদি আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে এছাড়াও ত্বকের আরো অনেক উপকারে আসে। ভিটামিন ও মিনারেল যুক্ত খাবার খেতে হবে কারণ, এটিও আমাদের ত্বককে সুস্থ ও ভালো রাখে। প্রতিদিন সকালে উঠে অবশ্যই আমরা কুসুম গরম পানি খাওয়ার চেষ্টা করব কারণ এটি আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখে।

তবে আমরা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করব কারণ এটা আমাদের ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং ত্বকের দাগ কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি যুক্ত কিছু খাবার যেমন - কমলা, লেবু, আমলকি, পেয়ারা, স্ট্রবেরি ইত্যাদি। এছাড়াও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ কিছু খাবার যেমন - গাজর, মিষ্টি কুমড়া, কলিজা, পালং শাক ইত্যাদি। যা আমাদের ত্বককে রিপেয়ার করে এবং ত্বকে ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। বাদাম. আখরোট. তিল. অলিভ অয়েল. মাছ ইত্যাদি আমাদের ত্বককে নরম রাখে এবং ত্বকে বলি রেখা কমাতে সাহায্য করে।

নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রুটিন চেকআপ করানো

টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া আমাদের ত্বকে কোন ধরনের স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা ঠিক না। এতে আমাদের ত্বকের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায়। কারণ এই বয়সে আমাদের এক এক জনের ত্বক একেক ধরনের হয়ে থাকে। এজন্য আমাদের ত্বক কি ধরনের তা না বুঝে কোন স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত না। টিনেজ বয়সে আমরা সাধারণত ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দিলে বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শ বা ঘরোয়া টিপস ফলো করে ত্বকের যত্ন নেয়ার চেষ্টা করে থাকি যা মোটেও ঠিক না।

আমাদের ত্বকের ব্রণ, ফাঙ্গল, ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, এলার্জি ইত্যাদি সমস্যা সাধারণত চর্মরোগের অন্তর্ভুক্ত। এজন্য আমাদের ত্বকের সমস্যা দেখা দিলে আমরা ডারমাটোলজিস্ট চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবো। তারপর ডাক্তার আমাদের ত্বক দেখে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সে অনুযায়ী আমাদেরকে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট সাজেস্ট করবে অথবা স্কিন কেয়ার সম্পর্কে কোন টিপস দিবে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে কতদিন পরপর আমাদের ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। যেহেতু আমাদের সবার ত্বক একজনের থেকে আরেকজনের আলাদা। এজন্য ত্বকের ধরনের ওপর নির্ভর করে এই সময়টা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। তবে সাধারণ স্কিনের সমস্যার জন্য ৩-৪ মাসে একবার। যদি আপনার ত্বকে ব্রণ বা কোন দাগের চিকিৎসা চলে তাহলে ২-৩ সপ্তাহে একবার। আর আপনার ত্বকে যদি গুরুতর সমস্যা দেখা দেয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রেগুলার রুটিন চেকআপ করাতে হবে।

শেষ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা : টিনেজার (স্কুল-কলেজ) পড়ুয়া তরুণীদের স্কিন কেয়ার রুটিন সম্পর্কে

স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণীরা যেন স্কিন কেয়ার রুটিন সম্পর্কে জানতে এবং তা ফলো করতে পারে এজন্য সুন্দরভাবে এ আর্টিকেল গুছিয়ে লেখা হয়েছে। আমাদের ত্বক প্রতিনিয়ত সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি, পলিউশন, ধুলাবালি দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। যা আমাদের ত্বককে করছে ক্ষতিগ্রস্ত। এক্ষেত্রে টিনেজাররা এটি দ্বারা বেশি প্রভাবিত হচ্ছে।

কারণ টিনেজাররা এ বয়সে বেশি বাহিরে থাকে এবং খেলাধুলা করে। এজন্য এই বয়স থেকেই তাদের ত্বকের যত্ন নেওয়া শিখতে হবে এবং তককে রাখতে হবে পরিষ্কার। টিনেজ বয়সে তরুণীদের ত্বক থাকে অনেক সংবেদনশীল, এজন্য এ বয়সে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট বেশি ব্যবহার করা ঠিক না। প্রয়োজনে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা।

সাবার দেখাদেখি একই প্রডাক্ট ব্যাবহার না করে আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট ব্যাবহার করতে হবে। টিনেজ বয়সে ত্বকে ব্রণ হওয়া স্বাভাবিক। তবে ব্রণ হলে তা খোঁচানো বা হাত দেয়া যাবে না। দিনে অন্তত ৭/৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে। নিয়মিত ৬-৭ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। মেকাপ প্রডাক্ট বেশি ব্যাবহার না করে নিয়মিত স্কিনের যত্ন নিন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Jafor Sadik
Md. Jafor Sadik
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও টেক ভার্স ইনফোর Owner। আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছি।