কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব

  আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অফিস, শিক্ষা, ব্যবসা, ডিজাইন, যোগাযোগসহ প্রায় সকল ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার হচ্ছে।কম্পিউটার যত বেশি ব্যবহার করা হবে তার চেয়েও বেশি এর যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন আছে। কম্পিউটারের হার্ডওয়ার যতটা গুরুত্বপূর্ণ ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটারের সফটওয়্যার। কারণ সফটওয়্যার কম্পিউটারের কাজ, গতি, নিরাপত্তা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব সম্পর্কে এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

পেজ সূচিপত্র: কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব।

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যার কেন প্রয়োজন?

আমরা যখন কম্পিউটার ব্যবহার করি তখন আমাদের কম্পিউটার বিভিন্ন ভাইরাস যেমন :
ম্যালওয়ার, র‍্যানসমওয়্যার ইত্যাদি দ্বারা আক্রান্ত হয়। তখন কম্পিউটারের সিস্টেম রক্ষা করতে আমাদের বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার প্রয়োজন হয় যেমন: অ্যান্টিভাইরাস, এন্ড পয়েন্ট সিকিউরিটি ইত্যাদি সফটওয়্যার।তখন এ সফটওয়্যার গুলো ভাইরাস থেকে আমাদের কম্পিউটারকে রক্ষা করে। 

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যার শুধু সুবিধা প্রদান করে না বরং এটি কম্পিউটারের  নিরাপত্তা, ব্যাকআপ, পারফরম্যান্স  অটোমেশন ইত্যাদি সুরক্ষা নিশ্চিত করে। সঠিক সফটওয়্যার ব্যবহার করলে সময় ও খরচ নিরাপত্তা ঝুঁকি কমে।ফলে কম্পিউটারের ডেটা সুরক্ষিত থাকে এবং সিস্টেম স্থিতিশীল থাকে।যা প্রতিটি ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য।

অপারেটিং সিস্টেম কি এবং আপডেট করা কেন জরুরী

অপারেটিং সিস্টেম: অপারেটিং সিস্টেম হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক যা কম্পিউটারে সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারকে একসাথে কাজ করতে সাহায্য করে। ডিভাইস চালু হওয়ার পর থেকেই  অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে যার ফলে ব্যবহারকারী খুব সহজেই বিভিন্ন কাজ করতে পারে। কম্পিউটার বা মোবাইল অন হওয়ার পর থেকে শুরু করে অফ হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কাজ অপারেটিং সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে Windows, macOS, Linux, Android, iOS ইত্যাদি এর মধ্যে খুবই জনপ্রিয়।

আপডেট করা কেন জরুরী: আমাদের ডিভাইসের নিরাপত্তা বৃদ্ধি, বাগ ফিক্স , নতুন ফিচার, উন্নত পারফরমেন্স ,সফটওয়্যার ক্যাপাবিলিটি নিশ্চিত এবং ডিভাইসের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধির জন্য অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা প্রয়োজন। নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করলে নতুন ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং সাইবার আক্রমণ থেকে আমাদের কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখতে পারব। প্রতিটি আপডেটের কারণে নতুন ফিচার উন্নত ফাংশন যুক্ত হয়। এর ফলে আমাদের কম্পিউটার ব্যবহার আরও সহজ, দ্রুত এবং উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে নিরাপদ সফটওয়্যারের ব্যবহার

কম্পিউটার আমাদের প্রতিদিনের কাজের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ব্যক্তিগত ডেটা, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, অনলাইন অ্যাকাউন্ট সবকিছুই কম্পিউটারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণে যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় সেগুলো নিরাপদ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনিরাপদ সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ডেটা হারানো, ভাইরাস আক্রমণ, এমনকি সাইবার হুমকির মতো বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এজন্য নিরাপদ ও বিশ্বস্ত সফটওয়্যার বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যেকোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড বা ইনস্টল করার পূর্বে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এখন বাজারে অনেক ফ্রি সফটওয়্যারের মধ্যে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর প্রবণতা থাকে। বিশ্বস্ত উৎস থেকে ডাউনলোড করা মেইনটেন্যান্স টুল আপনার সিস্টেম স্ক্যান করে অপ্রয়োজনীয় ফাইল পরিষ্কার করে, সিস্টেম অপ্টিমাইজ করে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্ষতিকর অ্যাপ বন্ধ করে এবং কম্পিউটারকে দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করে। এতে শুধু কম্পিউটারের পারফরম্যান্স বাড়ে না, বরং পুরো সিস্টেমই নিরাপদ থাকে। 

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের কাজ ও গুরুত্ব

কম্পিউটার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইন্টারনেটের এই যুগে কম্পিউটারকে নিরাপদ রাখা অনেক চ্যালেঞ্জিং। কম্পিউটারকে সুস্থ ও সচল রাখার জন্য অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ঠিক ততটাই জরুরী, যতটা আমাদের শরীরের জন্য জরুরী  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কম্পিউটার সচল এবং পূর্ণমাত্রায় কার্যক্রম রাখতে অবশ্যই আমাদের কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। অ্যান্টিভাইরাস ও এন্টিম্যালওয়্যার ছাড়া বর্তমানে কম্পিউটার ডিভাইসগুলো ব্যবহার করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। খুব সহজে এখন অনেক এন্টিভাইরাস বিনামূল্যে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়।

এন্টিভাইরাস কাজ: এই অ্যান্টিভাইরাস আপনাকে রিয়েল টাইম সুরক্ষা দিয়ে থাকে। এন্টিভাইরাস আপনার কম্পিউটারের প্রতিটি ফাইল এবং ফোল্ডার নিয়মিত পরীক্ষা করে। যদি কোন ফাইলে ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায় তবে এটি সাথে সাথে আপনাকে সতর্ক করে। আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন না তখন এই এন্টিভাইরাস ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থেকে সেগুলোকে তৎক্ষণিকভাবে যাচাই করে কোন বিপদ বুঝলে সে ফাইলটি ওপেন হতে বাধা দেয়। ভাইরাস শনাক্ত করার পর এন্টিভাইরাস সেটি হয় মুছে ফেলে অথবা সেটিকে একটি নিরাপদ জায়গায় আটকে রাখে। যাতে এটা কম্পিউটারের কোন ক্ষতি করতে না পারে।

এন্টিভাইরাস এর গুরুত্ব: আমাদের কম্পিউটার দীর্ঘ সময় ভালো রাখতে এন্টিভাইরাস এর কোন বিকল্প নেই। কম্পিউটারের গতি বজায় রাখা, তথ্য চুরি রোধ, সিস্টেম ফাইল রক্ষা ইত্যাদির জন্য এই এন্টিভাইরাস এর গুরুত্ব অপরিসীম। কম্পিউটারের ভাইরাস থাকার কারণে অনেক সময় কম্পিউটার স্লো হয়ে যায় বা হ্যাং করে। তখন এন্টিভাইরাস আমাদের কম্পিউটারকে জটমুক্ত রাখে ফলে কম্পিউটার দ্রুত কাজ করে। বর্তমান সময়ে হ্যাকাররা ভাইরাস পাঠিয়ে আপনার পাসওয়ার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য চুরি করতে পারে। এন্টিভাইরাস এ ধরনের স্পইওয়্যার থেকে আপনাকে রক্ষা করে থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের কারণে আমাদের উইন্ডোজ বা গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার ফাইল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এন্টিভাইরাস এই সমস্যা থেকেও আমাদের কম্পিউটারকে রক্ষা করে।

ব্যাকআপ সফটওয়্যার এর গুরুত্ব

আমাদের কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ডেটা সংরক্ষণ করা থাকে। এ ডেটা বিভিন্ন কারণে চুরি বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এজন্য ব্যাকআপ সফটওয়্যার ব্যবহারে ডেটা চুরি বা হারানোর ঝুঁকি কমে। ব্যাকআপ সফটওয়্যার এর গুরুত্ব সম্পর্কে নীচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: 
আমরা আমাদের কম্পিউটারে যা কিছু করি তার সবকিছুই ডেটা বা তথ্য হিসেবে জমা থাকে। অনেক সময় আমাদের কম্পিউটারের হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে, ভুলবশত ফাইল ডিলিট বা ভাইরাসের কারণে সব ফাইল মুছে যেতে পারে। তখন যদি আপনার ডেটা গুলো ব্যাকআপ না থাকে তাহলে আপনার সব তথ্য হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ সময়ে আপনার কাছে ব্যাকআপ সফটওয়্যার থাকলে আপনি হার্ডওয়ার পরিবর্তন করার পর আপনি আপনার সব তথ্য আবার আগের মতো ফিরে পাবেন।

অনেক সময় ভুলবশত আমরা ফাইল ডিলিট করে ফেলি যা পরে রিসাইকেল বিন থেকেও তা খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার দেখা যায়, অনেক সময় র্যানসওয়্যার নামক এক ধরনের ভাইরাস খুব পরিচিত যা আপনার কম্পিউটারের ফাইলগুলো লক করে দেয়। আপনার যদি নিয়মিত ডেটা বা সফটওয়্যার ব্যাকআপ নেয়া থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার ফাইলগুলো আবার উদ্ধার করতে পারবেন। বর্তমানে অনেক ব্যাকআপ সফটওয়্যার সরাসরি ইন্টারনেটে পাওয়া যায় যেমন google drive, one drive ইত্যাদি। এই সকল সফটওয়ারে  আপনি খুব সহজে আপনার সকল ডেটা সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। ফলে আপনার ডাটা হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কোন ভয় থাকবে না।

সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন

সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন বলতে এমন কিছুকে বোঝানো হয় যা হলো একটি সফটওয়্যারকে এমন ভাবে পরিমার্জন করা যাতে সেটি আগের চেয়েও অনেক দ্রুত, আরও দক্ষ এবং কম রিসোর্স ব্যবহার করে চলতে পারে। সত্য আর অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে আপনি খুব কম সময়ে দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারবেন। এর ফলে আপনার শ্রম এবং সময় দুটোই বেঁচে যাবে। সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন এর মূল কাজগুলো হলো অপ্রয়োজনীয় ফাইল পরিষ্কার করা, মেমরি বা রাম ব্যবস্থাপনা, স্টার্টআপ ম্যানেজমেন্ট, বাগ ও ত্রুটি সংশোধন ইত্যাদি। 

আমরা সবাই কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ,মোবাইল ফোন যেটাই ব্যবহার করি না কেন সেই ডিভাইসের সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন করা অত্যন্ত জরুরী। সফটওয়্যার অপটিমাইজেশনের ফলে আপনার ডিভাইসটি দ্রুতগতি সম্পন্ন হয়, ব্যাটারি সাশ্রয় হয়, হার্ডওয়ারের আয়ু বৃদ্ধি পায়, ইন্টারনেট সাশ্রয় হয় এছাড়াও আরও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। নিয়মিত আপনার ডিভাইসের সফটওয়্যার আপডেট, অব্যবহৃত অ্যাপ ডিলিট, ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশন এর মাধ্যমে আপনি সফটওয়্যার অপটিমাইজ করতে পারেন।

নিয়মিত সফটওয়্যার এর রক্ষণাবেক্ষণে কম্পিউটারের আয়ু বাড়ে

একটি ভালো মানের কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতার জন্য নিম্নের তিনটি বিষয়ে সমন্বয় থাকা জরুরীা প্রথমত, এন্টিভাইরাস আপনার কম্পিউটারকে রক্ষা করে। দ্বিতীয়ত, ব্যাকআপ আপনার তথ্য নিরাপদ রাখে। তৃতীয়ত, অপটিমাইজেশন আপনার কম্পিউটার বা ব্যবহৃত ডিভাইসকে গতিশীল রাখে। আপনি যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে অবশ্যই এটির প্রতি আপনাকে যত্নশীল এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ সঠিকভাবে করতে জানতে হবে। নিয়মিত সফটওয়্যার এর রক্ষণাবেক্ষণে কম্পিউটারের আয়ু বৃদ্ধি পায়। যখন আপনার কম্পিউটারের অভ্যন্তরের সফটওয়্যার গুলো স্মুথলি চলে তখন আপনার কম্পিউটারের প্রসেসর বা হার্ডডিস্ক অনেক ভালো থাকে। সহজে গরম হয় না বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না।

নিয়মিত সফটওয়্যার এর রক্ষণাবেক্ষণ এর ফলে হার্ডওয়ারের উপর চাপ কমানো সম্ভব হয়, প্রসেসর ও রামের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়, হার্ডডিস্ক বা এসএসডির সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়, ব্যাটারির স্বাস্থ্য রক্ষা পায়, সাইবার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। আপনার কম্পিউটারের সফটওয়্যার সপ্তাহে অন্তত একবার আপডেট করতে হবে। কারণ এর ফলে আপনি আপনার কম্পিউটারে নিরাপত্তা পাবেন এবং নতুন ফিচারগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। নিয়মিত সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে একটি কম্পিউটার তার নির্ধারিত আয়ুর চেয়েও অনেক বেশি সময় নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দিতে পারে। এজন্য আপনার কম্পিউটারের আয়ু বাড়াতে নিয়মিত সফটওয়্যার এর রক্ষণাবেক্ষণ করুন। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Jafor Sadik
Md. Jafor Sadik
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও টেক ভার্স ইনফোর Owner। আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছি।