কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় এই প্রশ্ন সবার মনে আসে। এ ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জানলে বিভিন্ন উপায়ে আয় করা যায় এবং এ আয় কোনো প্রকার বিনিয়োগ ছাড়াই সম্ভব।
ঘরে বসে কম্পিউটার বা মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজেই ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়। নিচে এ আর্টিকেলে আমরা আরো বিস্তারিত আলোচনা করব কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়, কোন উপায়গুলো নিরাপদ, কোনগুলোতে সাবধানতা দরকার এবং কিভাবে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই আয়ের পথ তৈরি করা যায়।
পেজ সূচিপত্র: কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
- কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
- ফ্রি টাকা ইনকাম কি সত্যিই সম্ভব?- বাস্তব সত্য
- ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায় সমূহ (সংক্ষেপে)
- ফ্রিল্যান্সিং:এর মাধ্যমে টাকা ইনকামের বাস্তব গাইড
- কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম
- ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম:সম্পূর্ণ গাইড
- অনলাইন সার্ভে এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম
- খুব সহজে ফেসবুক, ইউটিউবে ইনকাম পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম
- অনলাইন কুইজ ও গেম খেলার মাধ্যমে টাকা ইনকাম
- রেফার প্রোগ্রাম থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম
- ফ্রি টাকা ইনকাম করতে গিয়ে যেসব ভুল এড়াতে হবে
- নতুনদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
- শেষ কিছু কথা: কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় এ প্রশ্নটা এখন সবার মনে ঘুরপাক
খায়। ফ্রি টাকা ইনকাম বলতে এখানে এমন একটি আয়ের কথা বুঝানো হচ্ছে
যে, যেখানে কোন বিনিয়োগ ছাড়া নিজের বিভিন্ন দক্ষতা ও সময় কাজে লাগিয়ে
টাকা ইনকাম করা। বিভিন্ন উপায়ে ফ্রি টাকা ইনকাম সম্ভব কিন্তু তার জন্য
প্রয়োজন সময়, ধৈর্য এবং সঠিক তথ্যের।
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় জানতে চান? বর্তমানে অনেকেই জানতে চায় ঘরে
বসে কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়। বর্তমান ডিজিটাল যুগে ফ্রি টাকা
ইনকাম' অনেকের কাছেই খুব আকর্ষণীয়। এই আর্টিকেলে আমরা ফ্রি টাকা ইনকামের
কিছু বাস্তব, নিরাপদ এবং বৈধ উপায় নিয়ে আলোচনা করব।
ফ্রি টাকা ইনকাম কি সত্যিই সম্ভব?- বাস্তব সত্য
অনেকের মনেই প্রশ্নটা আসে যে ফ্রি টাকা ইনকাম কি সত্যিই সম্ভব? হ্যাঁ,
সম্ভব। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য এবং নিয়মিত পরিশ্রম। সঠিক
উপায় বেছে নিয়ে ধৈর্য ধরে কাজ করলে যে কেউ ঘরে বসে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম
করতে পারে। অনলাইনে ফ্রি টাকা ইনকাম একেবারেই অসম্ভব কিছু না। তবে
এটি বাস্তব চিন্তা এবং ধৈর্যের বিষয়।
ফ্রি টাকা ইনকাম বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে বিনিয়োগ ছাড়া আয় করা,
কিন্তু তার মানে এই নয় যে কিছু না করে টাকা পাওয়া যাবে। বর্তমান যুগে
ইন্টারনেট ব্যবহার করে পরিশ্রম ও সময় ব্যয় এর ফলে টাকা ইনকাম করা
সম্ভব।বিভিন্ন কাজ যেমন: ফ্রিল্যান্সিং, কন্টেন্ট তৈরি, অনলাইন সার্ভে ইত্যাদি
হলো ফ্রি টাকা ইনকামের উদাহরণ।
ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায় সমূহ (সংক্ষেপে)
অনেক সহজ পদ্ধতিতে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়। ফ্রি টাকা ইনকামের উপায়
সমূহ সংক্ষেপে নিচে উল্লেখ করা হলো:
- ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ
- কনটেন্ট রাইটিং ও ব্লগিং
- অনলাইন সার্ভে
- রেফার প্রোগ্রাম মোবাইল অ্যাপ থেকে আয়
- মোবাইল অ্যাপ থেকে আয়
- ফেসবুক ও ইউটিউবে ভিডিও তৈরি
- অনলাইন কুইজ ও গেম
- বিভিন্ন স্কিল শিখে তা ব্যবহার করা
এছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি আছে যে পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে ফ্রি ইনকাম করা সম্ভব।
ধৈর্য, সময় ও বিভিন্ন স্কিল কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা
যায়। এ উপায়গুলো সম্পর্কে নিচে আমরা আরো বিস্তারিত জানব।
ফ্রিল্যান্সিং: এর মাধ্যমে টাকা ইনকামের বাস্তব গাইড
ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকামের আগে আমাদেরকে ফ্রিল্যান্সিং কি এই ব্যাপারে
অবগত হতে হবে।ফ্রিল্যান্সিং হলো এমন একটি স্বাধীন ও আধুনিক পেশা ব্যবস্থা
যেখানে একজন ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী কর্মচারী না হয়েও, তার
দক্ষতা ও শ্রম অনুযায়ী এক বা একাধিক ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করে থাকেন। একজন
ফ্রিল্যান্সার সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা ঘণ্টাভিত্তিক চুক্তিতে এই কাজ
করে থাকে। বর্তমান বিশ্বে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করা আজকাল
অনেকের কাছেই আকর্ষণীয় আয়ের একটি পথ। সঠিক পরিকল্পনা,সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে কাজ
করলে যে কেউ এই পথে সফলতা পেতে পারেন। সহজ পদ্ধতিতে ফ্রিল্যান্সিং শুরুর জন্য
এই গাইডটি আপনাকে সাহায্য করবে।
১. সবার আগে নিজের দক্ষতা চিহ্নিত করতে হবে।
অনলাইন মার্কেটে বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
সার্ভিস, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং,ব্লগিং,ইউআই ইউএক্স((UI/UX) ইত্যাদির চাহিদা সবার শীর্ষে। আপনি যে
বিষয়ে দক্ষ বা কাজ করতে আগ্রহী সে বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করুন। মনে রাখবেন বিশেষ
একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা গড়ে তুললে দ্রুত সফলতা মিলবে।
২. আপনার বাস্তব কাজের নমুনা (পোর্টফোলিও) তৈরি করুন। একটি
মানসম্মত পোর্টফোলিও আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং জগতে সামনে এগিয়ে যেতে অনেক
সাহায্য করবে। শুরুর দিকে পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের জন্য বিনামূল্যে কাজ
করে নিজের পোর্টফোলিও গড়ে তুলতে পারেন। পোর্টফোলিওগুলো অবশ্যই মানসম্মত
হতে হবে। কারণ মানসম্পন্ন তিন থেকে পাঁচটি কাজের নমুনাই যথেষ্ট আপনাকে এ
সেক্টরে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
৩. পরবর্তী ধাপে আপনাকে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য উপযুক্ত
প্ল্যাটফর্ম বেছে নিতে হবে। বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের জন্য উপযোগী এবং
জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম যেমন: Fiverr, Upwork, Freelancer.com। এছাড়াও আপনাকে
লোকাল মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। তাহলে আপনার সফল সম্ভাবনা আরো
বেড়ে যাবে।
৪. ফ্রিল্যান্সিং তাড়াতাড়ি বা রাতারাতি ধনী হওয়ার মাধ্যম না। শুরুর
দিকে কাজের পারিশ্রমিক বেশি আশা না করে, প্রথমে কম টাকায় কিছু কাজ করে
ক্লাইন্টের আস্তা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি ফাইভ স্টার রেটিং প্রাথমিক
লক্ষ্য হওয়া উচিত।
৫. কাজের প্লাটফর্ম গুলোতে সার্বক্ষণিক অ্যাক্টিভ থাকতে হবে এবং
ক্লায়েন্টদের প্রপোজাল পাঠাতে হবে। প্রতিটি ক্লায়েন্টের সাথে সময়নিষ্ঠ এবং
স্পষ্ট যোগাযোগ রাখতে হবে। ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটা কাজ
কমপ্লিট করতে হবে এবং এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ ডেলিভারি করতে হবে।
কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম
অনেকেরই ধারণা কনটেন্ট রাইটিং শুধু পেশাদার লেখকদের কাজ। বাস্তবতা হলো এই
ডিজিটাল যুগে ভালো বাংলায় লিখতে পারাটা একটা অসাধারণ দক্ষতা। যার দ্বারা
বাড়িতে বসেই নিয়মিত আয় করা সম্ভব। চলুন আগে জেনে নেই কন্টেন্ট রাইটিং বলতে
কী বোঝায়। সাধারণত ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ, মার্কেটিং ইমেইল, প্রডাক্ট ডেসক্রিপশন ইত্যাদির জন্য তথ্যবহুল আকর্ষণীয় ও কার্যকরী লেখা
তৈরি করাই হলো কনটেন্ট রাইটিং। এখন আমরা কিভাবে মৌলিক, প্রাণবন্ত ও
কপিরাইট মুক্ত কনটেন্ট তৈরি করা করা যায় সেই কার্যকরী উপায় গুলো জেনে
নিব:
১. সহজ-সরল, স্পষ্ট বাংলা ভাষায় লিখার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। জটিল বিষয়ও
পাঠকের বোঝার মত করে উপস্থাপন করতে হবে।
২. নির্ভরযোগ্য মাধ্যম থেকে তথ্য সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করে তারপর তা কন্টেন্টের ভেতর লিখতে হবে।
৩. আপনার কনটেন্ট যাতে সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সম্পর্কে বেসিক জ্ঞান থাকতে হবে।
৪. ক্লায়েন্টের অর্ডার ডেডলাইনের আগেই জমা দিতে হবে।
২. নির্ভরযোগ্য মাধ্যম থেকে তথ্য সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করে তারপর তা কন্টেন্টের ভেতর লিখতে হবে।
৩. আপনার কনটেন্ট যাতে সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সম্পর্কে বেসিক জ্ঞান থাকতে হবে।
৪. ক্লায়েন্টের অর্ডার ডেডলাইনের আগেই জমা দিতে হবে।
কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে সহজে আয়ের প্রধান কয়েকটি পথ:
১. বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্ম যেমন: কৃষ্টি, চাকরিকরি.কমের ফ্রিল্যান্সিং সেকশন,
বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপগুলোতে (যেমন: Freelancers in Bangladesh) প্রচুর বাংলা
কন্টেন্টের চাহিদা থাকে। বাংলাদেশি প্লাটফর্ম গুলোতেও আর্টিকেল লিখে
টাকা আয় করা সম্ভব।
২. বিভিন্ন সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট, ব্লগ, ব্যবসায়িক ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখকের(আর্টিকেল রাইটার)খুঁজে থাকে। এসব ওয়েবসাইটে আপনার পোর্টফোলিও (আপনার লেখার নমুনা) পাঠিয়ে আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করে আর্টিকেল লিখার মাধ্যমে সহজে ইনকাম করতে পারেন।
৩. SEO আর্টিকেল রাইটিং এখন চাহিদার শীর্ষে। বিভিন্ন কোম্পানি তোদের ওয়েবসাইট গুগলের প্রথম পাতায় আনার জন্য নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড টার্গেট করে আর্টিকেল লিখে নেয়। SEO এক্সপার্ট হতে পারলে এ সেক্টর থেকে সহজে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়।
৪. নিজের লেখা কন্টেন্টগুলো নিজের ওয়েবসাইট, youtube বা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আপলোড করেও সহজে টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
২. বিভিন্ন সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট, ব্লগ, ব্যবসায়িক ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখকের(আর্টিকেল রাইটার)খুঁজে থাকে। এসব ওয়েবসাইটে আপনার পোর্টফোলিও (আপনার লেখার নমুনা) পাঠিয়ে আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করে আর্টিকেল লিখার মাধ্যমে সহজে ইনকাম করতে পারেন।
৩. SEO আর্টিকেল রাইটিং এখন চাহিদার শীর্ষে। বিভিন্ন কোম্পানি তোদের ওয়েবসাইট গুগলের প্রথম পাতায় আনার জন্য নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড টার্গেট করে আর্টিকেল লিখে নেয়। SEO এক্সপার্ট হতে পারলে এ সেক্টর থেকে সহজে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়।
৪. নিজের লেখা কন্টেন্টগুলো নিজের ওয়েবসাইট, youtube বা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আপলোড করেও সহজে টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম: সম্পূর্ণ গাইড
ব্লগিং ইন্টারনেট মাধ্যমে টাকা ইনকামের একটি কার্যকরী পদ্ধতি। ব্লগিং হলো একটি
ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত লেখা, অডিও ভিডিও বা
ছবির মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি এবং শেয়ার করার প্রক্রিয়া। ব্লগিং এর মাধ্যমে
কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় এখন আমরা তা ধাপে ধাপে আলোচনা করব।
কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন তা জেনে নেই:
প্রথমত, আপনার যে কাজের প্রতি আগ্রহ বা দক্ষতার বিষয় নির্বাচন করতে হবে।
(যেমন: প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় তথ্য, শিক্ষা, রান্না, প্রবাস
ভ্রমন গাইড, ফাইন্যান্স ইত্যাদি)
মনে রাখবেন, এমন বিষয় বেছে নিতে হবে যেন আপনি ধারাবাহিকভাবে কনটেন্ট তৈরি করতে
পারেন। এরপর
টার্গেট অডিয়েন্স চিহ্নিত করতে হবে। আপনার ব্লগ কাদের
জন্য হবে, তাদের কি প্রয়োজন বা সমস্যা? তারপর ব্লগের নাম ও ডোমেইন নির্বাচন
করুন। ডোমেইন নির্বাচনের সময় কিছু জিনিস জেনে রাখা ভালো,
১.সহজে মনে রাখতে পারে এমন নাম নির্বাচন করুন।
২. .com, .net বা .org এক্সটেনশন যুক্ত ডোমেইন নিন।
দ্বিতীয়ত, ব্লগিং প্লাটফর্ম ও হোস্টিং নির্বাচন করতে হবে এবং ব্লগ সেটআপ
দিতে হবে।
১.ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে WordPress.org সবচেয়ে জনপ্রিয় ও
নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
২. হোস্টিং প্রদানকারী কিছু সাইট যেমন: Bluehost, SiteGround, Hostinger
ইত্যাদি। এদের থেকে শুরুতে বাজেট-ফ্রেন্ডলি হোস্টিং কিনতে হবে।
৩. ডোমেইন কেনার জন্য রয়েছে Namecheap, GoDaddy এর মতো জনপ্রিয় সাইট অথবা
হোস্টিং প্রদানকারীর কাছেই ডোমেইন কিনুন।
৪. WordPress ইন্সটল করুন, প্রোফেশনাল থিম সিলেক্ট করুন এবং প্রয়োজনীয়
প্লাগইন ইন্সটল করুন (SEO, সিকিউরিটি, ক্যাশিং হত্যাদি)
তৃতীয়ত, মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির কৌশল জানতে হবে।
১. প্রতিনিয়ত পাঠকের সমস্যার সমাধান, বিভিন্ন তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট তৈরি
করুন।
২. গবেষণা-ভিত্তিক ও তথ্যসমৃদ্ধ আর্টিকেল লিখুন এবং নিয়মিত পোস্ট করুন
(সপ্তাহে অন্তত ২-৩টি পোস্ট)
৩. SEO অপটিমাইজেশন: কীওয়ার্ড রিসার্চ করুন (Google Keyword Planner,
Ubersuggest ব্যবহার করে)
৪. টাইটেল, মেটা ডেসক্রিপশন ও URL অপটিমাইজ করুন
৫. ইমেজে Alt ট্যাগ যুক্ত করুন (ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল লিংকিং করুন)
৬. প্রতিটি ব্লগ পোস্টে রিলেভেন্ট ইমেজ ও ইনফোগ্রাফিক্স, ভিডিও তৈরি করুন(নিজে
নিজে ইমেজ ও ভিডিও বানানোর চেষ্টা করুন)
৭. পাঠকের Engagement বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ফরম্যাট ব্যবহার করুন।
ব্লগ থেকে আয়ের উপায় জেনে নেই:
- গুগল এডসেন্স: ব্লগিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকামের অন্যতম উপায় হলো গুগল এডসেন্স। গুগলের বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক থেকে টাকা আয় করা যায়। ব্লগে বিজ্ঞাপন স্থাপন করে ক্লিক ও ইমপ্রেশন অনুযায়ী আয় করা যায়।
- ট্রাফিক বৃদ্ধির মাধ্যমে: আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি পেজ ভিও হবে তত ভালো আয় হবে। এজন্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম যেমন: ফেসবুক, টুইটার, linkedIn, pintrest এ আপনার ব্লগ শেয়ার করুন।
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েটস, ClickBank, ShareASale ইত্যাদি প্রোগ্রাম এ প্রোডাক্ট রিভিউ লিখে লিংক শেয়ার করুন। প্রোডাক্ট সেল হলে কমিশন পাবেন।
- স্পন্সরড কন্টেন্ট: অনেক কোম্পানি আছে যারা আপনার ব্লগে স্পন্স করতে চাইবে। এই কোম্পানিগুলোকে আপনার ব্লগে স্পন্সর হওয়ার সুযোগ দিন। তারপর ঔ কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের রিভিউ লিখুন এবং সরাসরি ফি নিন।
- সাবস্ক্রিপশন বা সদস্যতা: প্রিমিয়াম কনটেন্ট এর জন্য মাসে অথবা বাৎসরিক একটি ফি নির্ধারণ করুন এবং এক্সক্লুসিভ কমিউনিটি তৈরি করুন। এর মাধ্যমে বাড়তি টাকা ইনকাম করুন।
অনলাইন সার্ভে এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম
সার্ভে এ টাকা আয় অল্প। সাধারণত পার্টটাইম বা বাড়তি আয়ের জন্য মানুষ সার্ভে
করে থাকে। ধৈর্য দরকার কারণ অনেক সার্ভে পেতে সময় লাগে। আর মনে
রাখবেন, কখনোই কোন সার্ভে সাইটকে টাকা দিবেন না। কারণ বিনিয়োগের কোন দরকার
নেই। এখন আমরা ধাপে ধাপে সার্ভে সাইট থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করতে হয় তা নিয়ে
আলোচনা করব।
নির্ভরযোগ্য সার্ভে সাইট খুঁজতে হবে। কিছু বিশ্বস্ত ও ব্যবহারবান্ধব সাইটের
উদাহরণ: ১. Swagbucks – সার্ভে ছাড়াও শপিং, ভিডিও দেখায় টাকা। ২. Toluna –
বাংলা সহ বিভিন্ন ভাষায় সার্ভে পাওয়া যায়। ৩. YouGov – মতামত দিয়ে
পয়েন্ট জমা। ৪. PrizeRebel – বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারী আছে। ৫. Rakuten
Insights
একাউন্ট খুলুন ও প্রোফাইল পূরণ করুন। সঠিক তথ্য দিন (বয়স, পেশা, আগ্রহ ইত্যাদি) এতে আপনাকে বেশি সার্ভে পাঠানো হবে। ইমেইল নিশ্চিত করুন যাতে নোটিফিকেশন পান।
প্রতিদিন নিয়মিত চেক করুন ও সার্ভে পূরণ করুন। প্রতিদিন লগইন করুন নতুন সার্ভে আছে কিনা দেখুন। সাধারণত ১০ থেকে ২০ মিনিটের সার্ভেগুলো বেশি থাকে। যে প্রশ্নগুলো স্ক্রিনে আসে সেগুলোর উত্তর সতর্কভাবে দিন।
প্রতিদিন ঠিক মতো সার্ভে করলে ২০-২০০ পয়েন্টের মত জমা হয়। প্রতিটি সার্ভে সাইটে পয়েন্ট অনুযায়ী টাকার পরিমাণ একেক রকম হয়। ন্যূনতম তুলনীয় পরিমাণ ৫০০ পয়েন্ট সমান সমান ৫ ডলার(৬০০টাকা)। টাকা একাউন্টে আসার পর পেপাল, গিফট কার্ড বা সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমেও টাকা উইথড্র করা যায়।
একাউন্ট খুলুন ও প্রোফাইল পূরণ করুন। সঠিক তথ্য দিন (বয়স, পেশা, আগ্রহ ইত্যাদি) এতে আপনাকে বেশি সার্ভে পাঠানো হবে। ইমেইল নিশ্চিত করুন যাতে নোটিফিকেশন পান।
প্রতিদিন নিয়মিত চেক করুন ও সার্ভে পূরণ করুন। প্রতিদিন লগইন করুন নতুন সার্ভে আছে কিনা দেখুন। সাধারণত ১০ থেকে ২০ মিনিটের সার্ভেগুলো বেশি থাকে। যে প্রশ্নগুলো স্ক্রিনে আসে সেগুলোর উত্তর সতর্কভাবে দিন।
প্রতিদিন ঠিক মতো সার্ভে করলে ২০-২০০ পয়েন্টের মত জমা হয়। প্রতিটি সার্ভে সাইটে পয়েন্ট অনুযায়ী টাকার পরিমাণ একেক রকম হয়। ন্যূনতম তুলনীয় পরিমাণ ৫০০ পয়েন্ট সমান সমান ৫ ডলার(৬০০টাকা)। টাকা একাউন্টে আসার পর পেপাল, গিফট কার্ড বা সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমেও টাকা উইথড্র করা যায়।
খুব সহজে ফেসবুক, ইউটিউবে ইনকাম পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত
সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে ফেসবুক এবং ইউটিউব হচ্ছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা দুটি
প্লাটফর্ম। হাজার হাজার মানুষ এখন প্রতিদিন ইউটিউব এবং ফেসবুকে ভিডিও,
শর্টস রিয়েলস ইত্যাদি বানিয়ে প্রচুর টাকা ইনকাম করছে। অনেকে এখন ফেসবুক
এবং ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করা পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। সময় এবং ধৈর্য
নিয়ে নিয়মিত কাজ করলে এই দুই সেক্টর থেকেই টাকা ইনকাম করা সম্ভব। খুব
সহজে ফেসবুক, ইউটিউবে ইনকাম পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
ইউটিউব থেকে টাকা ইনকামের সহজ পদ্ধতি
১. ইউটিউব চ্যানেল তৈরি: ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার জন্য প্রথমে গুগল একাউন্ট
দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে। চ্যানেলের নাম, ডিসক্রিপশন ও প্রোফাইল ছবি
দিয়ে আপনার চ্যানেলকে আকর্ষণীয় করে রাখতে হবে।ইউটিউবে এখন বিভিন্ন কনটেন্ট
নিয়ে মানুষ ভিডিও বানায় যেমন: রান্না, শিক্ষা, বিনোদন, টেক রিভিউ, ফুড
রিভিউ, ডেইলি লাইফ ব্লগ ইত্যাদি। এখন নির্দিষ্ট একটি বিষয় বেছে নিয়ে সে
বিষয়ের উপর আপনাকে কাজ করতে হবে।
২. কনটেন্ট তৈরি: ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করা হয়ে গেলে আপনার বিষয়টি বাছাই
করে আপনার আগ্রহ অনুযায়ী ভিডিও তৈরি করুন। আপনার ভিডিওর মান অবশ্যই ভালো
রাখতে হবে। বিভিন্ন শিক্ষনীয় ভিডিও বা শর্টস তৈরি করুন।
৩. মনিটাইজেশন এর শর্ত পূরণ: আপনার চ্যানেলের মনিটাইজেশনের কিছু শর্ত
রয়েছে। টাকা ইনকামের জন্য সবাইকে এই শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তটি হলো
১০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম। যখনই শর্তটি পূরণ হয়ে
যাবে তারপর থেকে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন
৪. ইনকামের উৎস: ইউটিউব থেকে ইনকামের কিছু উৎস রয়েছে। ভিডিও বিজ্ঞাপন,
স্পন্সার শীপ, এফিলিয়েট মার্কেটিং, সুপার চ্যাট ও মেম্বারশিপ অন্যতম।
ফেসবুক থেকে ইনকামের সহজ পদ্ধতি
১. ফেসবুক পেজ তৈরি: ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি
ফেসবুক পেজ খুলতে হবে।আপনার ফেসবুক পেজের নাম এবং কভার ফটো অবশ্যই আকর্ষণীয়
হতে হবে। ট্রেন্ডি ভিডিও, কনটেন্ট রাইটিং, মিমস, শিক্ষামূলক ভিডিও, জীবনধারা,
ফুড রিভিউ ইত্যাদি কনটেন্টের প্ল্যান করতে হবে।
২. এনগেজিং কন্টেন্ট তৈরি: ভিডিও, ছবি, কার্টুন, ইনফোগ্রাফিক আপনার ফেসবুক
পেজে শেয়ার করুন। দর্শকদের সাথে ইন্টারেক্ট করুন। কমেন্টের রিপ্লে করুন।
নিয়মিত পোস্ট করুন। দৈনিক অন্তত দুই ১/২ টি পোস্ট করুন।
৩. ইনকামের উপায়:
- ফেসবুক রিলস বা ছোট ভিডিও তৈরি করে আপনার ফেসবুক পেজ মনেটাইজড করুন। (শর্ত প্রযোজ্য)
- ব্র্যান্ড ডিল করুন। পেজে প্রোডাক্ট প্রোমোট করার অফার নিন।
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং Amazon, Daraz ইত্যাদির প্রোডাক্ট লিংক শেয়ার করুন।
- ডিজিটাল প্রোডাক্ট যেমন: আপনার তৈরি ই-বুক, টেমপ্লেট, কনটেন্ট ইত্যাদি বিক্রি করুন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে আমরা বুঝি অন্যের প্রোডাক্ট বা
সার্ভিস প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা। অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট
আছে যাদের পণ্য বা সার্ভিসের প্রচার এবং বিক্রির মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা
যায়। যখন আপনি কোনো ওয়েবসাইটের একটি পণ্য বা সার্ভিস কোন ক্রেতার কাছে
বিক্রি করবেন তখন আপনি ঔ ওয়েবসাইটের বিশেষ রেফারেল লিংকটি তাদের সাথে শেয়ার
করবেন। এই লিংকের মাধ্যমে যদি কোন ক্রেতা প্রোডাক্ট বা সার্ভিসটি কিনে
তাহলে তাদের ক্রয় করা অর্থের একটি নির্দিষ্ট কমিশন আপনি পাবেন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুযোগ সুবিধা:
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং খুব সহজে করা যায়, এর জন্য কোন অর্থ বিনিয়োগের
প্রয়োজন হয় না। বরং একটু বুদ্ধি এবং সামান্য পরিশ্রম করে অনেক অর্থ উপার্জন
করা সম্ভব হয়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্যাসিভ ইনকামের একটি আকর্ষণীয় মাধ্যম
হয়ে উঠেছে। একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের কোন নিজস্ব দোকান বা শিপিং এর
প্রয়োজন হয় না। শুধু কোনো একটি ওয়েবসাইট বা প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত
থেকে তাদের থেকে পাওয়া লিংকটি শেয়ার করার মাধ্যমে এবং মানুষ সেই
লিংকে ঢুকে কোন পণ্য ক্রয় করলে তার থেকে কমিশন আপনি পাবেন। অল্প একটু
পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রতি মাসে ভালো একটি ইনকামের সুযোগ থাকে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় শুরু
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় শুরু করার পূর্বে আপনাকে কিছু
বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। এর মাধ্যমে আয় করার জন্য আপনাকে একটা নির্দিষ্ট
প্লাটফর্ম বেছে নিতে হবে, বিভিন্ন প্রোগ্রাম খুঁজে বের করতে হবে এবং আপনাকে
কিছু মূল্যবান কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। এর পরের ধাপটি হলো আপনাকে দর্শক
তৈরি করতে হবে, যাদের মাধ্যমে আপনি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। সর্বশেষে আপনাকে
ফেডারেল ট্রেড কমিশনের নিয়ম মেনে চলতে হবে।
অনলাইন কুইজ ও গেম খেলার মাধ্যমে টাকা ইনকাম
আমরা এখনও অনেকেই জানিনা যে অনলাইনে কুইজ এবং বিভিন্ন ধরনের গেম খেলার মাধ্যমে
খুব সহজে টাকা ইনকাম করা যায়। কুইজ ও গেম রিলেটেড এমন অনেক অ্যাপস ও সাইট
আছে যখানে গিয়ে আমরা কুইজ খেলার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে পারি। কুইজ বা
গেম খেলে টাকা ইনকামের পর আমরা যে টাকাটা পাবো তা খুব সহজেই উত্তোলন করা
যায়। এর জন্য কিছু সহজ পেমেন্ট মেথড রয়েছে।
অনলাইনে কুইজ খেলে টাকা ইনকামের সহজ উপায়
অনলাইনে কুইজ খেলে টাকা ইনকামের কিছু সহজ উপায় রয়েছে। বেশ কিছু কোম্পানি
এবং অ্যাপস রয়েছে যার মাধ্যমে ক্যুইজ খেলে টাকা আয় করা যায়। এমন একটি
কোম্পানি হল বিকাশ। বিকাশ অ্যাপসের মধ্যে কুইজ খেলার একটি অপশন থাকে,
যেখানে কুইজ খেলার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। তবে হ্যাঁ, এখানে বেশি
টাকা ইনকাম না হলেও ছোট পরিসরে কিছু টাকা হলেও আয় করা সম্ভব।
এরকম আরো কিছু জনপ্রিয় কুইজ অ্যাপস এর কথা এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরব। যেমন:
Learn Quiz & Earn, My 11 Circle, Daily Quiz- Earn Money
ইত্যাদি। প্রথমে আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ গুলো ডাউনলোড করে নিতে
হবে। তারপর সেটি ইন্সটল করতে হবে। ইনস্টল করা হয়ে গেলে অ্যাপটিতে
ঢুকে সাইন ইন করে নিতে হবে। সাইন ইন হয়ে গেলে অ্যাপের ভেতরে আমরা বিভিন্ন
ধরনের কুইজ দেখতে পাবো যেমন: খেলাধুলা, ইতিহাস, সাধারণ জ্ঞান
ইত্যাদি।
এখন কুইজ অপশনে গিয়ে আপনাকে কুইজ খেলতে হবে। কুইজের সকল প্রশ্নের উত্তর
সঠিকভাবে দিতে হবে। আপনার সঠিক উত্তরের জন্য প্রতিবার পয়েন্ট জমা হতে থাকবে।
আপনার প্রতি এক হাজার পয়েন্টের জন্য আপনার অ্যাকাউন্টে ১ ডলার করে জমা
হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা অ্যাকাউন্টে জমা হলে তারপর আপনি সেই টাকা
উইথড্র করতে পারবেন paypal, বিকাশ, নগদ ইত্যাদি এর মাধ্যমে।এভাবে খুব সহজে কুইজ
খেলে অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায়।
অনলাইন গেম খেলে টাকা ইনকামের সহজ উপায়
অনলাইনে গেম খেলে শুরুর দিকে আপনি ছোট পরিসরে আয় করা শুরু করতে
পারেন। বিভিন্ন অ্যাপস এবং অনলাইন সাইট রয়েছে যেখানে বিভিন্ন ধরনের গেম
খেলে টাকা আয় করা সুযোগ রয়েছে। যেমন: পাবজি, ফ্রি ফায়ার, মোবাইল লিজেন্ডস,
WIN অ্যাপ, Greenlight card ইত্যাদি। এই গেমিং অ্যাপ গুলো গুগল প্লে স্টোর থেকে
নামিয়ে তাই ইনস্টল করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর গেমের নিয়ম
বুঝে আপনাকে খেলা শুরু করতে হবে ।
পাবজি, ফ্রি ফায়ার, মোবাইল লেজেন্ডস এ গেম গুলো খেলে প্রতিনিয়ত কনটেন্ট তৈরি
এবং স্ট্রিমিং এর মাধ্যমে বাড়তি টাকা আয় করা সম্ভব। বর্তমান যুগে গেম
স্ট্রিমিং একটি আকর্ষণীয় উপার্জনের মাধ্যম। অনেক গেমার ফেসবুক এবং
ইউটিউবে গেম স্ট্রিমিং করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে। প্রতিটি
গেমে খেলোয়াড়রা নির্দিষ্ট কিছু টাস্ক বা মিশন কমপ্লিট করার মাধ্যমে পয়েন্ট
পেয়ে থাকে যা পরবর্তীতে নগদ অর্থে রূপান্তর করা যায়। বেশ কিছু সহজ পেমেন্ট
মেথড রয়েছে যার মাধ্যমে এই নগদ অর্থ উত্তোলন করা যায়।
WIN অ্যাপে বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যমে পয়েন্ট কিনে 'Tic Tac Toe' গেম খেলে
সর্বোচ্চ স্কোর করলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জিতে নেওয়া সম্ভব। তবে এই গেম খেলার
শর্ত হচ্ছে বিকাশ পেমেন্ট এর মাধ্যমে পয়েন্ট কিনে নিতে হবে। সে পয়েন্ট
দিয়ে গেম খেলার মাধ্যমে একজন প্লেয়ার ১০ হাজার করে সর্বোচ্চ মোট ১০ বার
ক্যাশব্যাক জিতে নিতে পারবেন। এই গেমে অফারটির মেয়াদ থাকবে ৪ জুন থেকে ৩১
ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।
রেফার প্রোগ্রাম থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম
ঘরে বসে ফ্রি টাকা ইনকামের আরেকটি সহজ উপায় হলো রেফার করার মাধ্যমে টাকা আয়।
যদি আপনি এক্সট্রা টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে রেফার করার মাধ্যমে তা ইনকাম করতে
পারেন। রেফারেল প্রোগ্রাম বলতে আমরা সাধারণত কোন অ্যাপস, সার্ভিস,
প্রোডাক্ট ইত্যাদি কারো সাথে শেয়ার করার মাধ্যমে সেখান থেকে টাকা আয় করাকে
বুঝি। এমন অনেক অ্যাপস বা সাইট রয়েছে যেগুলো রেফার করার মাধ্যমে আমরা
ইনকাম করতে পারি। সহজে ও কম পরিশ্রমে ইনকামের কিছু উপায় এর
মধ্যে রেফারেল প্রোগ্রাম অন্যতম।
রেফার প্রোগ্রাম থেকে ফ্রি টাকা ইনকামের বাস্তব গাইড
আমাদের ব্যবহৃত অনেক অ্যাপ বা সার্ভিস রয়েছে যেগুলোতে তারা রেফারেল সিস্টেম
চালু করে। অ্যাপ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সেই রেফারেল লিংক প্রথমে সংগ্রহ
করতে হয় এবং পরবর্তীতে সেই লিংক সোশ্যাল মিডিয়া, বন্ধু, অডিয়েন্স ইত্যাদির
মাঝে শেয়ার করতে হবে। আপনার শেয়ারকৃত অ্যাপস বা সাইট থেকে আপনার বন্ধু
বা অডিয়েন্স যদি সার্ভিস নিয়ে থাকে তাহলে অ্যাপ কর্তৃপক্ষ আপনাকে সরাসরি
অথবা গিফট কার্ডের মাধ্যমে টাকা দিয়ে দিয়ে থাকে।
রেফার করে টাকা আয় করা যায় এমন অনেক অ্যাপ রয়েছে।রেফার করে টাকা আয় করা যায় এমন
কিছু অ্যাপের তালিকা দেওয়া হলো: বিকাশ অ্যাপ,নগদ অ্যাপ, উপায় অ্যাপ,
গুগল পে, আর্ন ক্যাশ, টেরা বক্স ইত্যাদি। এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করে রেফার করার
মাধ্যমে খুব সহজে টাকা আয় করতে পারবেন। রেফার করে টাকা আয় করা যায় এমন কিছু
সাইটের তালিকা দেওয়া হলো: SoFi,Raise,Uber,Swagbucks ইত্যাদি। বর্তমানে হাজার
হাজার মানুষ রেফার প্রোগ্রাম ব্যবহার করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করছে।
ফ্রি টাকা ইনকাম করতে গিয়ে যেসব ভুল এড়াতে হবে
অনলাইনে ফ্রি টাকা ইনকাম করার সময় আমাদেরকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ
এমন অনেক স্ক্যামার আছে যারা অনলাইনে টাকা ইনকামের প্রতিশ্রুতি
দিয়ে আপনার থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিতে পারে।এজন্য আমাদের অবশ্যই
সচেতন থাকতে হবে। ফ্রি টাকা ইনকাম করতে গিয়ে যেসব ভুল এড়াতে হবে :
১. অনেকে অতিরিক্ত টাকার লোভ সামলাতে না পেরে স্ক্যামারদের ফাঁদে পা দেয়।
স্ক্যামাররা সাধারণত বিভিন্ন সাইটে লোভনীয় পোস্ট বা ক্যাপশন দিয়ে
থাকে। এসব লোভনীয় ক্যাপশন দেখে তখন সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হয়।
লোভকে সংযম করতে শিখতে হবে।
২. অনেক সাইটে অগ্রিম ফি চেয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে। মানুষ
ফ্রি টাকা ইনকামের কথা ভেবে এসব স্ক্যামারদের অগ্রিম ফি দিয়ে প্রতারিত হয়।
এজন্য কাউকে অগ্রিম ফি দেওয়া যাবে না।
৩. এসব সাইটে স্ক্যামারা এই মানুষগুলোর ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক
অ্যাকাউন্ট, ওটিপি ইত্যাদি শেয়ারের মাধ্যমে সমস্ত তথ্য হাতিয়ে নেয়।
পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করে এবং নগদ অর্থ দাবি করে। এজন্য
ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ওটিপি কারোর সাথে শেয়ার করা যাবে
না। ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখতে হবে।
৪. কোন কোম্পানি বা সাইটের লিগালিটি চেক না করে তাদের সাথে কাজে যোগ দেয়া
যাবে না। কোন কোম্পানির ওয়েটিং আছে কিনা তাদের ওয়েবসাইট আছে কিনা এসব
অবশ্যই যাচাই করে নিতে হবে। আইনগত বৈধতা নিশ্চিত করতে হবে।
নতুনদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
ফ্রি টাকা ইনকামের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেখে নিন:
- অনলাইনে ফ্রি টাকা ইনকামের ক্ষেত্রে সবার আগে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এখন মানুষ বিভিন্ন ধরনের স্ক্যামারদের প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এজন্য সতর্ক থেকে এবং যাচাই-বাছাই করে কাজে অংশগ্রহণ করতে হবে।
- ফ্রি টাকা ইনকাম শুরুর আগে মাথায় রাখতে হবে এ কাজের মাধ্যমে রাতারাতি ধনী হওয়া যায় না সময় এবং পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। ধৈর্যের সাথে নিয়মিত কাজ করে যেতে হবে।
- প্রথমে আপনার দক্ষতা নির্বাচন করতে হবে। পছন্দ অনুযায়ী দক্ষতা প্রায়োজনে অর্জন করে নিতে হবে। আপনার দক্ষতা অর্জন করা হয়ে গেলে সেই দক্ষতার উপর ভিত্তি করে আপনাকে কাজ করতে হবে।
- অনলাইনে বর্তমানে বিভিন্ন ভাবে টাকা ইনকাম করা সম্ভব যেমন: ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন সার্ভে, রেফার প্রোগ্রাম, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অনলাইনে কুইজ বা গেম খেলার মাধ্যমে ইত্যাদি। তবে নতুন যারা এসব সাইট কাজ করতে আসবে তাদেরকে অবশ্যই সতর্কতা এবং ধৈর্যের সাথে কাজ করতে হবে।
শেষ কিছু কথা: কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
বর্তমানে অনলাইনে আগের চেয়েও ইনকামের সুযোগ বহুগুণ বেড়ে গেছে। তবে নিজেদের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে ফাস্ট মানি ইনকামের পেছনে ছোটা উচিত নয়। অনেক স্ক্যামার আছে যারা আপনাকে বিভিন্ন লোভনীয় অফার দেখিয়ে আপনার সাথে প্রতারণা করতে পারে। ফ্রি টাকা ইনকাম বলে কিছু হয় না, এর জন্য অবশ্যই আপনাকে কিছু বিনিয়োগ করতে হয় যেমন: আপনার ধৈর্য, শ্রম মেধা, সময়, ইত্যাদি।অনলাইনে কাজ শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই একটি প্লাটফর্ম বেছে নিতে হবে এবং সেই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। ফ্রি টাকা এর লোভে পড়ে আপনার মূল্যবান সময়, শ্রম, ধৈর্য, নষ্ট করবেন না। আপনার নিজের দক্ষতা দিয়ে ছোট থেকে শুরু করুন এবং সেটিকে আস্তে আস্তে বড় ইনকামে রূপান্তর করুন।


অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url